ফেলানিঃ আধুনিক অসমিয়া উপন্যাস

‘যে গাছে ফল ধরে না তাকে বলে নিষ্ফলা কিন্তু কেউ কি পরীক্ষা করে দেখেছেন মাটি? যে ডাল সহজে ভেঙ্গে যায় তাকে বলে ঠুনকো। কিন্তু তার উপর কি জমেনি অজস্র বরফ?’ ---- বার্টল ব্রেখট

স্বাগত

ফেলানি উপন্যাস পড়তে আপনাকে স্বাগত। এক্সপ্লোরার নয়, অনুগ্রহ করে মজিলা ফায়ার ফক্স খুলে বসুন

অন্যদের পড়তে বলুন

Young Assamese Writer in English Aruni wrote on PHELANI in his own blog :

Phelani (2007)
“Women should be like this chilly. Tiny, but can burn anyone trying to touch it.”(pp: 61)
The Prose of Tempest leaves us with a question why and perhaps how almost all the characters continue to live even after they are brutally dehumanised by the state. Sombori is raped by the army so often that she finally stops providing resistance; her attempt to end her life with rat-kill leaves her unsuccessful: “But Sombori didn’t die. The rat-kill didn’t kill her. She continued to live” (pp: 203)[xi]. Even Babula exists in the forests in the form of a “ghost” and turns into a lore. Prabhat continues to live gazing and shivering at the slightest noise in his own world of fear. Arupa Patangia Kalita’s Phelani begins where The Prose of Tempest ends. How and why do people live? But this is not the story of Prabhat, Babula and Ron but this is the story of “Sombori-s”. Narratives of women who are like “mem-jolokia” (a very hot breed of chilly) invigorate the readers of Phelani. Though Phelani is the protagonist, equal space is given to ‘Jun’s Mother’, ‘Jaggu’s wife’, ‘Driver’s wife’, ‘Ratna’s wife’, etc.[xii] It’s a community of working class women rendered to this piteous state by the disturbances of the early eighties during Assam Agitation. Phelani’s husband is lost in the communal clash and after that it’s her journey from the relief camp to a new place where another struggle of existence begins just for two meals a day. Through the petty day-to-day quarrels, loving, caring, sharing, trips to the market to sell handicrafts to make ends meet, Arupa Patangia glorifies the existence of these women. Apart from being the very hot mem-chilly, they are also ‘phelanis’ in the eyes of the society: useless like garbage.
Phelani derives her name from the very act which could have ended her life. She was thrown into a shallow pond behind her house during the riots—“That is Phelani. Attached to her name is the sound of splashing water. Since she was thrown, she was named Phelani.” (pp: 10) It sounds as though this motif is derived from classical narratives. It is as if she were the emaciated version of the classical Satyavatī from the Mahābhāratā who was renamed as Yojangaņdhā after Parāśar Muńi gave her a boon as a result of which her body emitted a fragrant smell which traveled for yojans. (‘Ādi Parva’, the Mahābhāratā)
Phelani not only has a unique name. She also inherits a unique biological history: her mother was a high caste Hindu child-widow Ratnamala, who gave birth to Jutimala from Kinaram, a man from the Bodo tribe who worked at Ratnamala’s house as an elephant mahout. For committing the transgressive “crime”, Kinaram was killed and Ratnamala died in childbirth. Jutimala was brought up secretly by Kinaram’s village and family. She was married to Khistish Ghose, a Bengali. The day she gave birth to Phelani, both Khistish and Jutimala died during communal riots. What we are left with is Phelani: a woman who has high caste Hindu, Bodo, Hindu-Bengali’s blood in her body and is married to a Koch now. This is the author’s self-conscious design to leave a comment on actual Assamese identity which is a convergence point of all these communities. This is the story of Phelanni: useless, worthless, and yet she continues to survive.
It was from Kali Burhi she learnt that for a woman to survive, she had to be a mem-chilly: so hot that nobody would dare to touch. The use of Goddess Kali as the symbol of strength and weakness is shown throughout the novel. Kali burhi used fake whorls that Phelani refuses to reveal to the world even after finding it after her death. For Kali burhi it was a mode of survival: a strategy of gaining respect and veneration from the community who would have made her a phelani otherwise. But this is also a space of illusion and escapism as we see in the case of Jun’s Mother. Trapped and stranded in the three-hundred hours bandh it’s the only way for her to deal with the trauma. The novelist doesn’t name the organisation which called the bandh: for these people, what matters most is a working day. They haven’t learnt to lose faith in themselves. If the market remains open, they can sell things: pickles, sweets, handicrafts, home-grown vegetables and survive. Till there is peace and absence of gun shots, they can survive and this survival is exactly what the novel celebrates. With a small group of women, glorifying their otherwise neglected life; Arupa Patangia Kalita tries to find some basic questions about the insurgency movements and the counter insurgency operations.
Who is the actual sufferer? Almost all the insurgents depicted in the novel are affluent and powerful; they lead a luxurious lifestyle. After becoming a Bodo insurgent, and abandoning his demented wife to live hand to mouth, Bolen comes back in a new avatar: unmistakably rich. Minati’s lover, who was a student leader initially, and an insurgent later, and after that a surrendered militant has the ability to offer bundles of currencies to her. But the condition of this small group of women remains the same. Jaggu’s wife still undertakes extreme labour everyday pushing inside her stinking, puss filled uterus repeatedly, which moves out of her vagina due to labour, childbirth and repeated abortions; Jun’s mother still attempts to make ends meet by not wasting even one minute; and Phelani? Amidst them we don’t know when she became one of them: Moni’s Mother (Moni is her son). She lost her identity as all Assamese have in search of identities within identities. But did Phelani really have an identity? Do Assamese signify a single ethnic identity? Or how important is identity in itself? This is the implicit question that the novel raises and challenges the basis of many nationalistic movements in Assam.

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
Young Assmese Writer and Research Scholar Arup Nath Has to Say on This Work
Hi Sushantada,
First of all, let me wish you good luck for this commendable effort. The task of 'Translation' itself is very demanding and daunting. I would just say, please don't just translate it mechanically word by word, rather 'transcreate' it by referring some contexts which would be more appealing for Bengali readers rather thinking of maintaining the originality of the work. Of course, the dialogues, story, characters will remain same, but at the same time, there should be little bit of liberty for the translator also so that the target readers can relate it in their own lives.
I really appreciate your endeavor, it's really fantastic. Arupa Patangia Kalita is one of my favorite Assamese writers...I have already gone through that book, it was an awesome book.

Thanking you.
Regards,
Arup, JNU.Arup Kumar Nath
PhD Scholar
Centre for Linguistics
School of Language Literature and
Culture Studies
Jawaharlal Nehru University
New Delhi-67

ফেলানিঃ আধুনিক অসমিয়া উপন্যাস

বাছাই পোষ্ট

অধ্যায় এক (১)

ফেলানি ( 'ব্যতিক্রম' মাসিক কাগজে ধারাবাহিক বেরুতে শুরু করল 'ফেলানি' জুন , ২০১৪ থেকে। )        ফে রিখানা ব্...

ই-মেইলে গ্রাহক হোন

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

আমাকে চিঠি লিখুন

ভারতীয় ব্লগার দল

যারা পড়তে আসেন

ফেসবুকের সঙ্গীরা এ পথে জুড়তে পারেন

এই বিশাল ধরিত্রীর কোন বিন্দু থেকে কে এলেন?

এই বিশাল ধরিত্রীর কোন বিন্দু থেকে কে এলেন? ০২

যারা নিয়মিত ফেলানি পড়েন

যে ক'জন এখানে এলেন

কে কী বললেন

আমাদের অলঙ্করণ সহযোগী

বাংলা ব্লগের প্রবাহে জুড়ুন !

কালের পদধ্বনি

ক' ফোটা স্বচ্ছ জলের সন্ধানে

Powered by Blogger.

ফেলানি

I heart FeedBurner

Blog Archive

কেমন লাগল বলুন !

এখানে আমার অনুবাদ দেখুন

এই ব্লগ সম্পর্কে

ইংরাজি সাহিত্যের ডক্টরেট অরূপা পটঙ্গীয়া কলিতা আধুনিক অসমিয়া সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নামপাঠক-সমালোচক মহলে বিপুলভাবে সমাদৃত এই লেখক ইতিমধ্যে বেশ কিছু পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেনসেগুলো মধ্যে আছে ১৯৯৩তে পশ্চিম বাংলার সাহিত্য সেতুনামের লিটিল ম্যাগাজিনের থেকে শৈলেশ চন্দ্র দাস গুপ্ত সাহিত্য সেতু পুরস্কার, ১৯৯৫তে ভারতীয় ভাষা পরিষদ পুরস্কার, ১৯৯৮তে দিল্লির কথানামের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর দেয়া কথা পুরস্কার১৯৯৫তে অসম সাহিত্য সভার দেয়া বাসন্তী বরদলৈ স্মৃতি পুরস্কারদিতে চেয়েছিলকিন্তু তিনি এই বলে প্রত্যাখ্যান করেন যে সাহিত্য কর্মে তিনি লেখকের লিঙ্গভেদ মানেন না

১৯৯৪তে প্রকাশিত তাঁর অয়নান্তনামের উপন্যাসটি অসমিয়া উপন্যাসের প্রথম শ্রেণির গুটি কয় উপন্যাসের মধ্যে একটি বলে বিবেচিত হয়ে থাকেঅয়নান্তের নবছর পর তিনি লেখেন এই বিখ্যাত উপন্যাস ফেলানি২০০৩এ প্রকাশিত এই উপন্যাসের পটভূমি গেল কয়েক দশকের জাতি-দাঙ্গাতে অভিশপ্ত ও অশান্ত অসমজাতি-দাঙ্গা ও উগ্রপন্থার শিকার দরিদ্র মানুষের যন্ত্রণাক্লিষ্ট জীবনের এক মর্মস্পর্শী উপন্যাস এটিফেলানির চরিত্রগুলোর অবস্থান সমাজের প্রান্তে , কেন্দ্রে নয়সমাজ যে মানুষগুলোকে দূরে নিক্ষেপ করছে তাদের প্রতীকআবার সমাজের কেন্দ্রকে উপেক্ষা করে প্রান্তীয়তাতেই নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করবার যে প্রক্রিয়া তার ব্যঞ্জনা-ঋদ্ধ এক সত্তার নামও ফেলানিমৃত্যু যেমন সহজ তেমনি জীবনের প্রতি সুতীব্র ভালোবাসাও মৃত্যুর বিপরীতে উপস্থাপিতজাতি-ধর্ম নয়, সুবিশাল মানবতার পরিচয়েই ফেলানির পরিচয়ফেলানির পৃথিবীতে অজস্র চরিত্র আর বিচিত্র ঘটনার মধ্য দিয়ে নিষ্করুণ সমাজ সত্য এবং বাস্তবের মুখোমুখি হয়ে পাঠক যাত্রা করবেন সামাজিক উপলব্ধির অন্য এক সীমান্তের দিকে

টংলা মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক অরূপা দামলনামের সাহিত্য-সংস্কৃতি মূলক অব্যবসায়িক সাময়িকীর সম্পাদনা সহযোগীতাঁর অন্যান্য গ্রন্থগুলো হলঃ মৃগনাভি ( ১৯৮৭), মেপল হাবির রং ( ১৯৮৯), মরুযাত্রা আরু অন্যান্য ( ১৯৯২), অয়নান্ত ( ১৯৯৪), মরুভূমিত মেনকা আরু অন্যান্য (১৯৯৫), কাঁইটত কেতেকী (১৯৯৯), পাছ চোতালর কথকতা (২০০০) , অরুণিমার স্বদেশ (২০০০), মিলিনিয়ামর সপোন (২০০২)


অনেকদিন ধরে আমার স্বপ্ন ছিল এই শিরদাড়া খাড়া করা উপন্যাসখানি বাংলাতে অনুবাদ করবার। এবারে সেই ইচ্ছে পূরণ হলো


আমাকে নিয়ে

My photo
Tinsukia, Assam, India